Featured Video Play Icon

শ্রী শ্রী অনুকূলচন্দ্র ঠাকুর এর আশ্রম – পাবনা

মা নাম রেখেছিলেন অনুকূল। ভক্তদের কাছে তিনি প্রেমের ঠাকুর – প্রাণের ঠাকুর, অনুকূলচন্দ্র ঠাকুর। শ্রী শ্রী অনুকূলচন্দ্র ঠাকুর আজ একটি বিশ্ববন্দিত নাম। বিজ্ঞান আলোকিত এই সময়ে অনুকূল জীবনদর্শন প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের অসংখ্য জীবন-চলনার মহার্ঘ পাথেয়।

অনুকূলদর্শনেঃ “শর্ম হল জীবন ও বৃদ্ধির বিজ্ঞান” ( Dharma is the Science of Being and Becoming)। রাষ্ট্রনীতি, অর্থনীতি, সমাজনীতি সহ মানব জ্ঞান-বিজ্ঞানের সকল শাখা-প্রশাখাই ধর্মের অঙ্গীভূত।

তাঁর অনবদ্য সহজ ভাষায় –

“বাচতে নরের যা যা লাগে,
তাই নিয়েই তো ধর্ম জাগে”
– ধর্ম জীবন্ত হয় ইষ্ট বা আদর্শপুরুষের জীবনে।

সীমাহীন, সমস্যায় জর্জরিত, শীর্ণ, জঙ্গমতায় জটিল এবং যান্ত্রিকতায় যন্ত্রণাকাতর আজকের বিশ্বজীবনে শান্তি আনতে হলে চাই আদর্শে আত্ননিবেদিত, ইষ্টকেন্দ্রিক তপস্যায় পূতঃ সংযমে শান্ত, সেবায় সক্রিয় ব্যাক্তিজীবন। ইষ্টানুগ চলনায় বিনায়িত নর-নারীর বিহিত মিলনই সুবিবাহ। সুবিবাহই স্প্রজননের উর্বর ক্ষেত্র। সুসিন্তানই দেশের কাঙ্খিত সুনাগরিক, বিশ্বশান্তির প্রকৃত ধারক। (অনুকূলদর্শন)

অনুকূলচন্দ্র ঠাকুর (১৪ই সেপ্টেম্বর, ১৮৮৮- ২৬শে জানুয়ারি, ১৯৬৯) বাঙালি ধর্ম সংস্কারক। অনুকূলচন্দ্র ঠাকুর হিন্দুধর্মের সৎসঙ্গ নামক ধর্মসম্প্রদায়ের প্রবর্তক। তিনি ব্রিটিশ ভারতের বঙ্গ প্রদেশের পাবনা জেলার হিমায়তপুরে জন্মগ্রহণ করেন, যা বর্তমানে বাংলাদেশের অন্তর্গত। ঝাড়খন্ডের দেওঘরে মৃত্যুবরণ করেন। মূলতঃ স্বাবলম্বন ও পরনির্ভরশীলতা ত্যাগের দীক্ষাই অনুকূলচন্দ্রের সৎসঙ্গ আশ্রমের আদর্শ। তাঁর ভক্তদের সহযোগিতায় তপোবন বিদ্যালয়, দাতব্য চিকিৎসা কেন্দ্র, ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ, মূদ্রণ প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি স্থাপন করেন।

 

 

৯৯৪৬ টি সর্বমোট হিট ৪ টি আজকের হিট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *