http://en.wikipedia.org/wiki/File:Intercity_Train_Tista_Express_(Bangladesh).jpg

ট্রেনাতঙ্কঃ ট্রেনের দরজায় আর না!

কিছুদিন আগে দেশের একজন প্রথম শ্রেণীর নাগরীক চলন্ত ট্রেনে পাথরের আঘাতে মারা গেলেন। এমন একটা ঘটনা আমারও আছে সেটাই শেয়ার করচ্ছি।

তখন সন্ধ্যা। পরের দিন হরতাল। আমি আর শরিফ ভাই কমলাপুর স্টেষন থেকে গাজীপুরগামী সর্বশেষ ট্রেন মিস করে কিংকর্তব্যবিমূঢ়। বাস নাই বল্লেই চলে। একটা সিএনজি নিয়ে চলে এলাম বিমানবন্দর স্টেশন।

ঘন্টাখানেক অপেক্ষার পর ট্রেন আসল। ট্রেনে পা রাখারও যায়গা নাই। সীট পাওয়া তখন মূক্ষ্য নয়, কোন রকম দাড়ানো গেলেই খুশি। শেষমেশ দরজায় পেপার বিছিয়ে বসলাম। গতিময় বাতাসে যার্নিটা সীটে বসার থেকে কোন অংশে খারাপ ছিল না।

টঙ্গী পার হওয়ার পর দেখলাম অন্ধকারে ২টা ছেলে দাঁড়ানো। বস্তির ছেলে পেলে দেখেই বোঝা যাচ্ছিল। এরকম আরো কয়েক জায়গায় দেখেছি, অস্বাভাবিক লাগেনি। শুধু মোবাইল সাবধান।

কাছে আসতেও একটা ছেলে আস্ত একটা ইট ছুড়ে মারলো আমার বাম পা লক্ষ করে। আমার পেছনে মানুষ, সামনে খোলা মাঠ। কিচ্ছু করার নাই। আল্লাহর রহমতে ইট টা আমার পায়ে না লেগে পাশেই দরজার গায়ে লাগলো। প্রচন্ড শব্দে আমি হতভম্ব।
আশে পাশের লোকগুলো আমার অবস্তা কি জানতে আগ্রহী হয়ে উঠল। ঠিক আছি বলে জানালাম তাদের। জানালার পাশের যাত্রী কর্তৃক অনেক গালীর আওয়াজ শুনতে পেলাম ছেলেগুলোর উদ্দেশ্যে।

আল্লাহর রহমতে সেদিন বেঁচে গিয়েছিলাম। শুকুর আলহামদুলিল্লাহ্‌ আর মনে, মনে ডিসিশন নিলাম, ট্রেনের দরজায় আর না ! ট্রেনের দরজায় আর না ! ট্রেনের দরজায় আর না !

ইমেজ সোর্সঃ  উইকিপিডিয়া

১৭৩৯ টি সর্বমোট হিট ২ টি আজকের হিট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *