Bangladesh Telecommunication Law Update

বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন আইন-২০০১-এ সরকারকে টেলিফোনে আড়িপাতার ক্ষমতা দেয়া আছে।
রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বা জনশৃংখলার স্বার্থে এ আইনের ৯৭(ক) ধারায় এ বিষয়ে বলা হয়েছে, ‘এই আইন বা অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যা কিছুই থাকুক না কেন, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বা জনশৃংখলার স্বার্থে যে কোন টেলিযোগাযোগ সেবা ব্যবহারকারীর পাঠানো বার্তা ও কথোপকথন প্রতিহত, রেকর্ড ধারণ বা তৎসম্পর্কিত তথ্যাদি সংগ্রহের জন্য সরকার নির্ধারিত সময়ের জন্য গোয়েন্দা সংস্থা, জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা, তদন্তকারী সংস্থা বা আইন-শৃংখলা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে নিয়োজিত সংস্থার কোন কর্মকর্তাকে ক্ষমতা দিতে পারবে।
এ কার্যক্রমে সার্বিক সহায়তা প্রদানের জন্য টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারীকে নির্দেশ দিতে পারবে এবং পরিচালনাকারী ওই নির্দেশ পালন করতে বাধ্য থাকবে।’ এ আইনে টেলিফোনে আড়িপাতার দন্ড – সংক্রান্ত ৭১ ধারায় বলা হয়েছে,

ব্যক্তি যদি অপর দু’জন ব্যক্তির টেলিফোন আলাপে ইচ্ছাকৃতভাবে আড়ি পাতেন তাহলে প্রথমোক্ত ব্যক্তির এই কাজ হবে একটি অপরাধ এবং তার জন্য তিনি অনধিক ৬ মাস কারাদন্ডে বা অনধিক ৫০ হাজার টাকা অর্থদ- বা উভয় দন্ডে  হবেন।
২০০৬ সালে এ ধারায় সংশোধনী এনে এর সঙ্গে অপর একটি প্যারা জুড়ে দিয়ে বলা হয়েছে, ‘তবে শর্ত থাকে যে, ধারা ৯৭(ক)-এর অধীন সরকার হতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত গোয়েন্দা সংস্থা, জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা, তদন্তকারী সংস্থা বা আইন-শৃংখলা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে নিয়োজিত সংস্থার কোন কর্মকর্তার ক্ষেত্রে এই ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না।’ অর্থাৎ সরকার আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর যে সংস্থা বা যে কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেবে সে সংস্থা বা সে ব্যক্তি টেলিফোনে আড়ি পাততে পারবেন। এ প্রসংগে টেলিকম বিষয়ে অভিজ্ঞ একজন আইনজীবী বলেন, আইনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী কারও টেলিফোনে আড়ি পাততে হলে সরকার তথা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে অনুমতি নিতে হবে। এ সংক্রান্ত অনুমতিপত্রে কাকে, কি কারণে এবং কতক্ষণের জন্য আড়িপাতার আওতায় রাখা হবে তা উল্লেখ থাকতে হবে।
(সংগ্রহিত)

৩৯৬৩ টি সর্বমোট হিট ৬ টি আজকের হিট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *